আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি বাংলাদেশি বেটর একটি ন্যায্য, স্বচ্ছ এবং উপভোগ্য অনলাইন বেটিং অভিজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য। সেই বিশ্বাস থেকেই joya9 bets-এর যাত্রা শুরু।
২০২০ সালে একদল উৎসাহী তরুণ উদ্যোক্তা মিলে joya9 bets প্রতিষ্ঠা করেন, যাদের একটাই লক্ষ্য ছিল – বাংলাদেশের ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম বানানো যেখানে বেটিং হবে সহজ, স্বচ্ছ এবং সত্যিকার অর্থে মজার। তখন দেশে অনলাইন বেটিং-এর ধারণা নতুন, এবং বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম বিদেশি – বাংলা ভাষায় সাপোর্ট নেই, পরিচিত পেমেন্ট পদ্ধতি নেই, স্থানীয় বাজারের কথা ভেবে কোনো ফিচার নেই।
joya9 bets সেই শূন্যতাটা পূরণ করতে এগিয়ে এসেছে। আমরা শুরু থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আমাদের প্ল্যাটফর্ম হবে বাংলাদেশিদের জন্য, বাংলাদেশিদের দ্বারা। বিকাশ, নগদ, রকেট – এই পেমেন্ট পদ্ধতিগুলো থেকে শুরু করে বাংলায় গ্রাহক সেবা পর্যন্ত, সবকিছুতেই আমরা স্থানীয়তাকে প্রাধান্য দিয়েছি।
আজ joya9 bets বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। পাঁচ লক্ষেরও বেশি সদস্য প্রতিদিন ক্রিকেট, ফুটবল থেকে শুরু করে ক্যাসিনো গেমস পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগে আনন্দ নিচ্ছেন।
"আমরা চেয়েছিলাম একজন সিলেটের চা বাগানের শ্রমিক থেকে শুরু করে ঢাকার তরুণ পেশাদার – সবাই যেন একই সহজ অভিজ্ঞতা পান। প্ল্যাটফর্মটা এমন হওয়া উচিত যেখানে ভাষার বাধা নেই, পেমেন্টের জটিলতা নেই।"
২০২২ সালে joya9 bets বাংলাদেশের ডিজিটাল বিনোদন খাতে দ্রুত বর্ধনশীল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃতি পায়। আমাদের ব্যবহারকারী সন্তুষ্টি স্কোর ধারাবাহিকভাবে ৪.৫/৫-এর উপরে থেকেছে।
প্রতিটি ফিচার ডিজাইন করা হয়েছে বাংলাদেশি বেটরদের দৈনন্দিন চাহিদার কথা মাথায় রেখে।
joya9 bets-এর পুরো ইন্টারফেস বাংলায়। গ্রাহক সেবা থেকে শুরু করে নিয়মকানুন সব বাংলায় পাওয়া যায়। ভাষার বাধায় কোনো সুযোগ মিস হবে না।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ ব্যবহারকারী মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। joya9 bets স্মার্টফোনে পারফেক্ট অভিজ্ঞতার জন্য তৈরি – দ্রুত লোড, সহজ নেভিগেশন।
বিকাশ, নগদ, রকেট ও ব্যাংক ট্রান্সফার – সব পরিচিত পদ্ধতিতে জমা ও উত্তোলন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পাঁচ মিনিটের মধ্যে টাকা হাতে পান।
বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে প্রিয় দুটি খেলায় joya9 bets সবচেয়ে বেশি বাজার ও সেরা অডস অফার করে। বিপিএল, আইপিএল, প্রিমিয়ার লিগ সব এক জায়গায়।
SSL এনক্রিপশন, দ্বি-স্তর যাচাই ও কঠোর KYC প্রক্রিয়ায় আপনার তথ্য ও অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত। joya9 bets-এ আপনার ডেটা কখনো তৃতীয় পক্ষে যায় না।
স্বাগত বোনাস থেকে শুরু করে সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক, রেফারেল বোনাস ও বিশেষ টুর্নামেন্ট পুরস্কার – joya9 bets তার সদস্যদের সবসময় পুরস্কৃত করে।
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের বেটরদের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য, স্বচ্ছ এবং আনন্দদায়ক বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। joya9 bets চায় প্রতিটি সদস্য প্রতিটি লেনদেনে নিরাপদ অনুভব করুন।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও ব্যবহারকারী-বান্ধব অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। প্রযুক্তি ও মানবিক সেবার সমন্বয়ে এমন একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করা যেখানে বেটিং হবে দায়িত্বশীল ও উপভোগ্য।
সদস্যদের সাথে সর্বদা সৎ ও স্বচ্ছ থাকা। কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো অযৌক্তিক শর্ত নেই। joya9 bets বিশ্বাস করে সৎ ব্যবসাই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে শক্তিশালী।
joya9 bets-এ প্রতিটি অডস ন্যায্যভাবে নির্ধারণ করা হয়। জেতার পর টাকা পাওয়া নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই – এটা আমাদের সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি।
আমরা বিনোদনের পক্ষে, আসক্তির বিরুদ্ধে। joya9 bets-এ সেলফ-এক্সক্লুশন, বাজেট লিমিট ও সচেতনতামূলক টুলস আছে যা সদস্যদের সুস্থ অভ্যাস গড়তে সাহায্য করে।
আমরা প্রতিনিয়ত প্ল্যাটফর্ম আপগ্রেড করছি। দ্রুততর লোড টাইম, আরও মসৃণ ইন্টারফেস ও নতুন ফিচার যোগ করা আমাদের চলমান কাজ।
joya9 bets শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম না, এটি একটি পরিবার। লক্ষাধিক বেটরের একটি সক্রিয় সম্প্রদায় যেখানে অভিজ্ঞতা ভাগ করা যায়।
ঢাকায় একটি ছোট্ট টিম নিয়ে যাত্রা শুরু। প্রথম বছরেই ৫০,০০০ সদস্য যোগ দেন। বিকাশ পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশন চালু হয়।
অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ লঞ্চ হয় এবং নগদ পেমেন্ট যোগ হয়। লাইভ বেটিং ফিচার চালু হওয়ায় সদস্য সংখ্যা দ্বিগুণ হয়।
লাইভ ডিলার ক্যাসিনো ও ই-স্পোর্টস বেটিং বিভাগ চালু হয়। সদস্য সংখ্যা ২ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়।
চব্বিশ ঘণ্টা বাংলা ভাষায় লাইভ চ্যাট সাপোর্ট চালু হয়। রিওয়ার্ড প্রোগ্রাম ও ভিআইপি ক্লাব লঞ্চ হয়।
joya9 bets ৫ লক্ষ নিবন্ধিত সদস্যের মাইলফলক স্পর্শ করে। নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি ও আরও উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা যোগ হয়।
আমাদের বিশেষজ্ঞ দল প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছে যাতে আপনার অভিজ্ঞতা সেরা হয়।
৩০+ প্রকৌশলী প্রতিনিয়ত প্ল্যাটফর্মের গতি, নিরাপত্তা ও নতুন ফিচার নিয়ে কাজ করছেন।
৫০+ দক্ষ প্রতিনিধি বাংলায় ২৪ ঘণ্টা সদস্যদের সমস্যা সমাধানে প্রস্তুত।
অভিজ্ঞ ক্রীড়া বিশ্লেষকরা ন্যায্য ও প্রতিযোগিতামূলক অডস নিশ্চিত করেন।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি লেনদেন ও অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখেন।
joya9 bets-এর পেছনে আছে একটি বৈচিত্র্যময় ও উৎসর্গীকৃত দল, যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা – সব জায়গার মানুষ আছেন এই দলে। এই বৈচিত্র্যই আমাদের শক্তি, কারণ আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের চাহিদা সত্যিকার অর্থে বুঝি।
আমাদের প্রযুক্তি দল ক্রমাগত কাজ করে যাচ্ছে প্ল্যাটফর্মকে আরও দ্রুত, আরও স্থিতিশীল করতে। বাংলাদেশের ইন্টারনেট পরিকাঠামোর বাস্তবতা মাথায় রেখে আমরা কম ব্যান্ডউইথেও joya9 bets স্বাচ্ছন্দ্যে চলে তা নিশ্চিত করেছি। থ্রিজি নেটওয়ার্কেও পেজ দ্রুত লোড হয় এটা আমাদের কাছে প্রাধান্য।
গ্রাহক সেবা বিভাগে joya9 bets বিশেষভাবে গর্বিত। আমাদের সাপোর্ট টিমের প্রতিটি সদস্য বাংলায় কথা বলেন এবং স্থানীয় সমস্যাগুলো সম্পর্কে ভালোভাবে অবগত। কোনো অটোমেটেড বট দিয়ে সমস্যা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা নেই – আসল মানুষ, আসল সমাধান।
দায়িত্বশীল বেটিং আমাদের কাছে শুধু স্লোগান না। আমরা সত্যিকার অর্থেই চাই আমাদের সদস্যরা সুস্থ থাকুন। তাই joya9 bets-এ ডিপোজিট লিমিট সেট করার সুবিধা আছে, নিজেকে সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়ার (সেলফ-এক্সক্লুশন) ব্যবস্থা আছে, এবং সমস্যা জুয়ার লক্ষণ দেখা গেলে সাহায্যের জন্য রিসোর্স আছে।
আমরা বিশ্বাস করি, যে প্ল্যাটফর্ম তার সদস্যদের সুস্থতার কথা ভাবে, সেই প্ল্যাটফর্মই দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকে। তাই joya9 bets শুধু ব্যবসার কথা না ভেবে সম্প্রদায়ের কথাও ভাবে।
পাঁচ লক্ষেরও বেশি বাংলাদেশি সদস্যের সাথে যোগ দিন এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বেটিং প্ল্যাটফর্মে আপনার যাত্রা শুরু করুন। প্রথম জমায় বিশেষ স্বাগত বোনাস পাচ্ছেন।